চট্টগ্রাম, , সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮

‘মন্দা কাটছে পর্যটন ব্যবসায়’

প্রকাশ: ২০১৮-০৩-২৫ ১০:৩০:২২ || আপডেট: ২০১৮-০৩-২৬ ০৯:৫৬:২৩



সিপি রিপোর্ট ♦
সপ্তাহিক ও স্বাধীনতা দিবসের ছুটিকে কেন্দ্র করে আবারও মনদা কাটিয়ে ভাল ব্যবসার আশা করছেন কক্সবাজারের পর্যটন ব্যবসায়ীরা। এ দিবসকে ঘিরে পর্যটকে পদচারণায় মুখোরিত হতে শুরু করেছে সৈকত নগরী। আর এতেই বেশ খুশি পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

হোটেল-মোটেল গেষ্টহাউস মালিক সমিতি সুত্রে জানাযায়, শুক্রবার থেকে ভ্রমণ পিপাসুদের আগাম বুকিং হয়ে গেছে পর্যটন নগরীর সাড়ে ৪শত হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউস, কটেজসহ আবাসনস্থল।

বেড়াতে নবদম্পতি সাইফুল ও রুপা জানান, কাজের চাপ থাকায় বিয়ের পর এক সঙ্গে কোথাও যাওয়া হয়ে উঠেনি। তাই মৌসুমের শেষ টানা ছুটি পেয়ে দীর্ঘতম সৈকতে একান্তে সময় কাটাতে এসেছি। চিন্তা করেছিলাম গরম শুরু হয়েছে, তাই পর্যটক কম থাকবে। কিন্তু ধারণারও বেশি পর্যটক সৈকতসহ বিভিন্ন এলাকায় বিচরণ করছে।

তবে পর্যটকদের অভিযোগ, এই আনন্দের মাঝেও কিছু কিছু হোটেল-মোটেল-রেঁস্তোরায় গলাকাটা দাম নিচ্ছে। তাদের অভিযোগ মৌসুমের শেষ সুযোগ হিসেবে তাৎক্ষণিক বুকিংয়ের ক্ষেত্রে হোটেল কক্ষের ভাড়া কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যবসায়ীরা। দালালদের মাধ্যমে বুকিং দেয়া পর্যটকরাই এ বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক এক হোটেল মালিক বলেন, দালালদের সঙ্গে ৫০ শতাংশ ভাগাভাগির চুক্তি থাকায় বাধ্য হয়ে পর্যটকদের কাছ থেকে বেশি দাম নিতে হচ্ছে হোটেল সংশ্লিষ্টদের।

হোটেল কস্টটুডের কর্মকর্তা আবু তালেব জানান, রোহিঙ্গা ইস্যু থাকায় এ বছরের পর্যটন মৌসুমে ভাল ব্যবসা হয়েছে। রোববার পর্যন্ত টানা বুকিং রয়েছে আমাদের। আমরা কোয়ালিটি মেনটেইন করে সব সময় একই দাম রাখি। কেউ কেউ হয়তো চাহিদার সময়ে নীতি বির্সজন দিয়ে বদনাম কুড়ায়।

কক্সবাজার গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, থার্টিফাস্ট নাইট, ইংরেজি বর্ষকে বিদায়-বরণ ও জানুয়ারির শীতকালীন অবকাশসহ সরকারি বিভিন্ন ছুটি উপভোগ করতে কক্সবাজারে আসেন লাখ লাখ পর্যটক। রোহিঙ্গা ইস্যুর কারণে এবার বলতে গেলে সারা বছরই দেশি-বিদেশি সাংবাদিক, এনজিও কর্মকর্তা-কর্মচারি, দানশীল ব্যক্তিবর্গ মিলে সরব ছিল পর্যটন জোনের সকল ছোট-বড় প্রতিষ্ঠান। অনেক গেস্ট হাউস ও ফ্লাট পুরো মাসের জন্য বুকিং নিয়েছে এনজিও বা অন্যরা। হোটেলগুলো কমবেশি নিত্যদিন ব্যবসা করলেও বেশিরভাগ রুম খালি থাকত। তবে, সপ্তাহিক ছুটিসহ স্বাধীনতা দিবসের ছুটির কারণে এখন পর্যটকে টৈ টম্বুর কক্সবাজার। শুক্রবার সকাল থেকে জেলার পর্যটন স্পটগুলোতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ভ্রমণপিপাসুরা।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, সৈকতে নারীদের জন্য আলাদা জোন করা হয়েছে। তাদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেওয়া হবে। নারীরা যাতে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনার শিক্ওা না হন সেদিকেও কেয়াল রাখা হবে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের পুলিশ সুপার জিল্লুর রহমান বলেন, পর্যটকরা দেবতার মতো। তাদের সেবা দিতে পর্যটন সংশ্লিষ্টরা মুখিয়ে থাকেন। নিরাপত্তা সেবার প্রতিষ্ঠান হিসেবে পর্যটকদের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিতে লাবণী মোড়, সুগন্ধা পয়েন্ট, মেইন বীচসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে কয়েকটি টিম সার্বক্ষনিক কাজ করছে। মোটরসাইকেল নিয়ে সকাল ৮ থেকে রাত ৯ পর্যন্ত মোবাইল ডিউটিতে রয়েছে অপর টিম। এরা ছাড়াও জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা, গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা একাধিক টিমে বিভক্ত হয়ে মাঠে রয়েছে।


আর্কাইভ

MonTueWedThuFriSatSun
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
23242526272829
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
9101112131415
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728